Christopher Marlowe (1564-1593)

- English - English Literature | NCTB BOOK
1.7k

Christopher Marlowe ছিলেন শেক্সপিয়ারের পূর্বসূরি লেখক। তিনি ইংল্যান্ডের ক্যান্টারবেরিতে শেক্সপিয়রের জন্মের মাত্র ২মাস পূর্বে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি "Father of English Tragedy "

" True Founder of English Drama" নামে পরিচিত। তিনি University wits দের একজন ছিলেন এবং তাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।

তিনি মূলত ৪ টি ট্রাজেডির জন্য বিখ্যাত।

1.Temburlaine: তিনি মাত্র ২৩ বছর বয়সে ১৫৮৭ সালে তার প্রথম নাটক "Tamburlaine, The Great"রচনা করেন সম্রাট বাবরের পূর্বপুরুষ রাজা তৈমুর লং এর জীবনী নিয়ে।

2.Doctor Faustus :এটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক। পুরো নাম " The Tragical History of the Life and Death of Doctor Faustus".

Main theme- Thirst for power.

3.Edward ll : এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক।

4.The Jew of Malta: অসাধারণ ধনলিপ্সাই এ নাটকের বিষয়বস্তু। এ নাটক থেকে শেক্সপিয়ার তার The Marchent of Venice লিখেছেন বলে ধারণা করা হয়।

১৫৯৩ সালে ৩০শে মে, মাত্র ২৯ বছর বয়সে এ বিখ্যাত নাট্যকার সরাইখানায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ধারণা করা হয়ে থাকে তিনি বেঁচে থাকলে হয়তো শেক্সপিয়ারকেও ছাড়িয়ে যেতেন। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই শেক্সপিয়ারের তাঁকে অনুসরণ করতে দেখা যায়।

Christopher Marlowe এর নাটক মনে রাখার কৌশল:

i) The Jew of Malta: Marlowe Malta পড়লে The Jew of Malta মনে থাকবে অথবা

TEPID থেকে মনে রাখা যায়।

TEPID

T = Tamburlaine the Great (ট্যাম্বারলেইন দ্যা গ্রেট)

E = Edward-II [Edward II এর (১৫৯৩)]

P = The Passionate Shepherd to His Love (Poem)

I =

D = Doctor Faustus (সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক) (The Tragical History of Doctor Faustus (দ্যা ট্রাজিকাল হিস্ট্রি অব ডক্টর ফসটাস)

Poem: 'The Passionate Shepherd to His Love' এবং Hero and Leader তাঁর অন্যতম lyric (গীতিকবিতা)

[ইংরেজি সাহিত্যের সবচাইতে সুন্দর গীতি কবিতাগুলোর মধ্যে একটি লিখেছিলেন

ক্রিসটোফার মারলো এবং এর নাম The Passionate Shepherd to his Love, "দ্যা প্যাশোনেট শেফার্ড টু হিজ লাভ"]

Quotations:

Come, live with me and be my love,

And we will all the pleasures prove. (The Passionate Shepherd to His Love)

Doctor Faustus গ্রন্থের চরিত্র :

  • Doctor John Faustus (ডক্টর জন ফস্টাস)
  • Wagner (ওয়াগনার)
  • Mephistopheles (মেফিস্টফিলিস)
  • Good Angel and Evil Angel (ভাল দেবতা ও মন্দ দেবতা)
  • Lucifer (লুসিফার)

Doctor Faustus : Story in Brief (ডক্টর ফস্টাস: গল্প সংক্ষেপ)

Doctor Faustus গ্রন্থের চরিত্রঃ

  • Faustus
  • The Devils
  • Cornelius
  • Robin
  • Mephistopheles
  • Good Angel
  • Wagner
  • Pope Adrian VI
  • Helen of Troy
  • Valdes
  • Bad Angel

Doctor Faustus প্রায় প্রতিটি বিষয়ই আয়ত্ত করেছেন কিন্তু ঐতিহ্যগত জ্ঞানে তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি স্বর্গীয় জ্ঞান এবং সীমাহীন মতা লাভ করতে চান। তাই তিনি যাদু বিদ্যা চর্চার জন্য ঠিক করেন। তিনি মনে করেন, অসীম জ্ঞান ও ক্ষমতা লাভের জন্য এই বিষয়ই একমাত্র উপায়। তার দুই বন্ধু Valdes এবং Cornelius তাকে যাদু বিদ্যা নিয়মিত চর্চা করার জন্য উৎসাহ দেয়। Faustus চর্চা শুরু করেন। সময়ের আবর্তে তিনি শয়তান লুসিফারের দাস মেফিস্টোফিলিসের সাক্ষাত পান। ফস্টাস তার কাছে তার মনের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। মেফিস্টোফিলিস তাকে বলে যে, সে তার সেবা করবে যদি তিনি লুসিফারের সাথে একটি চুক্তি করেন। সীমাহীন ক্ষমতার জন্য পাগল হওয়ায় তিনি রাজি হন। ২৪ বছরের জন্য তিনি লুসিফারের সাথে নিজের রক্ত দিয়ে চুক্তিতে সই করেন। ২৪ বছর পর লুসিফার তার (ফস্টাসের) আত্মা তার রাজ্যে নিয়ে যাবে এবং সে লুসিফারের দাস হবে। মূলত এই চুক্তির মাধ্যমে তিনি ধর্মশাস্ত্র, ক্রিতত্ত্ববাদ এবং খ্রিষ্টকে অস্বীকার করেন এবং ঈশ্বরনিন্দনীয় জীবন যাপন শুরু করেন। এই চুক্তির ফলে মেফিস্টোফিলিস তার দাস হয় এবং তিনি মেফিস্টোফিলিসের সাহায্যে যেকোনো কিছু করার ক্ষমতা লাভ করেন। এমন ক্ষমতা পেয়ে তিনি গর্ব অনুভব করেন। "Divinity! adieu" These metaphysical books are heavenly."

Good Angel সবসয় তাকে এই যাদু বিদ্যা ত্যাগের পরামর্শ দেয়। কিন্তু তিনি মূলত বাহ্যিক এবং অভ্যন্তরীণ সংঘাত ভুগছিলেন। মাঝে মাঝে তিনি বাস্তবতা বুঝতে পারেন এবং ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনার চেষ্টা করতেন। কিন্তু শয়তান তাকে বলে যে, ঈশ্বর তাকে ক্ষমা করবেন না'। ক্ষমতার লোভ ছাড়াও ফস্টাস কাম বাসনায় আগ্রহী ছিলেন। তিনি আনন্দ উপভোগের জন্য মেফিস্টোফিলিসের সাহায্যে গ্রীসের অনিন্দ্যসুন্দরী Helen কে উপস্থিত করেন। ধীরে ধীরে চুক্তির সময় শেষের দিকে চলে আসে। তিনি বাস্তবতা বুঝতে পারেন এবং প্রার্থনা করার চেষ্টা করেন কিন্তু সফল হতে পারেন না। শেষ সময়ে তিনি কেঁদে ওঠেন:

See, See, where Christ's blood stream in the firmament, One drop would save my soul, half, a drop...

আপাতদৃষ্টিতে ফস্টাসকে মতালিঞ্জ মনে হতে পারে। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার এই যে শয়তানের সাথে চুক্তিপত্র সম্পাদনের পর, ফস্টাস প্রথমেই বলেছেঃ

"First will I question with thee about hell tell me, where is the place that men call hell?" (Act II, Scene I)

-ফস্টাসের এ প্রশ্নই প্রমাণ করে যে সে ক্ষমতালিপ্সার তুলনায় অনুসন্ধিৎসার দ্বারা বেশী তাড়িত হয়েছে। আবার এই জ্ঞানপিপাসা মিটানোর জন্যই ডাকিনী বিদ্যা চর্চা শুরু করার আগে সে জ্ঞানের এক শাখা থেকে অন্য শাখায় বিচরণ করেছে।

ফস্টাস বিশ্বাস করে যে প্রাচীন লোক কাহিনীর মাঝেই সৌন্দর্যের স্বরূপ রতি আছে। একই কারণে সে হেলেনকে আহ্বান জানিয়ে বলেছে: "Sweet Helen, make me immortal with a kiss." (Act V, Scene II). হেলেনের প্রতি ফস্টাসের এই আকর্ষণকে নিছক জৈবিক কামনা হিসাবে চিহ্নিত করাটা অনুচিত হবে।

The Jew of Malta: 'দিজ্যু অব মাল্টা' নাটকের প্রধান চরিত্র বারাবাস। এই লোকটি সম্পদশালী। কিন্তু সে প্রতিহিংসা পরায়ণ ও ছল চাতুরীতে পটু। সে একজন ইহুদী। খ্রীস্টানরা তার সর্বনাশ করেছিল। তারই প্রতিশোধ নেবার জন্যই সে অভাবিত সব পদক্ষেপ নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের পাতা ফাঁদেই তার মৃত্যু ঘটে।

বারাবাস আসলে একটি বিশেষ ধরনের চরিত্র। অর্থই তার ধ্যান জ্ঞান। নাটকের প্রথমভাগ সে স্বর্ণের যে স্তুতি করেছে তা আমাদের মনে করিয়ে দেয় বেন জনসনের Volpone নাটকের কথা। বারাবাসর চরিত্রের সাথে শেক্সপীয়রের 'দি মার্চেন্ট অভ ভেনিস' নাটকের shylock চরিত্রেরও কিছু মিল আছে। সম্ভবত, শেক্সপীয়র এবং বেন জনসন উভয়েই এ ক্ষেত্রে মার্লো দ্বারা পরোক্ষভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। 'দি জ্যু অভ মাল্টা' নাটকটির প্রথম দুটি অঙ্ক সুলিখিত এবং নাটকীয় গুণসম্পন্ন। কিন্তু শেষাংশ অতিনাটকীয়তা দোষে দুষ্ট এবং ষড়যন্ত্র, রক্তপাত ইত্যাদি ঘটনার আধিক্য সেখানে বেশি। চরিত্র-চিত্রণেও মার্লো খুব একটা ক্ষমতা দেখাতে পানেন নি।

Tamburlaine the Great: ট্যাম্বারলেইন দি গ্রেট এর প্রথম পর্ব ১৫৮৭ সালে এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। বিখ্যাত দিগ্বিজয়ী তৈমুর লং এর জীবনকাহিনীই এ নাটকের উপজীব্য। প্রথম পর্বে তৈমুরের মতা আরোহণের কাহিনী এবং দ্বিতীয় পর্বে তৈমুরের চারিত্রিক ও অন্যবিধ অবনতির কাহিনী বিধৃত। এই নাটকের নায়ক ক্ষমতালিপ্স। যাঁরা ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন তাঁরা জানেন যে দিগ্বিজয়ের নেশায় মত্ত হয়ে খঞ্জ তৈমুর লং অনেক দেশেই ধ্বংসযজ্ঞ চালান। মানব জীবন সম্বন্ধে তৈমুরের ছিল তীব্র ঘৃণা। তিনি নৈতিকতার ধার ধারতেন না। সর্বোপরি, তৈমুর ছিলেন নৃশংস। কিন্তু মার্লো তাকে একজন অতিমানব হিসাবে বিবেচনা করেছেন এই নাটকে তিনি অমিত্রাক্ষর ছন্দের সার্থক ব্যবহার করেছেন। R.D. Trivedi-র মতে তৈমুর লং চরিত্রটিকে মার্লো নিজের আদলেই অঙ্কন করেছেন: "His Taimur was only a projection of himself imbued with a like passion for power, glory and beauty."

Edward-II: 'এডওয়ার্ড দি সেকেন্ড' নাটকটি ইতিহাস আশ্রিত। এই নাটক লেখার উপকরণ ও তথ্য আহরণ করা হয়েছে প্রধানত র‍্যাফায়েল হলিনশেডের 'ক্রনিকলস অভ ইংল্যান্ড স্কটল্যা এ্যান্ড আয়ারল্যান্ড' গ্রন্থ থেকে। তা ছাড়া মার্লো আর যে সব গ্রন্থের সাহায্য নিয়েছেন সেগুলো হল রবার্ট ফ্যাবিয়ানের 'নিউ ক্রনিকলস অভ ইংল্যান্ড এ্যান্ড ফ্রান্স', জন ষ্টোর 'সামারি অভইংলিশ ক্রনিকলস এবং 'এ মিরর ফর ম্যাজিস্ট্রেটস' (১৫৭৮)

'এডওয়ার্ড দি সেকেন্ড' নাটকে চিত্রিত হয়েছে এমন এক রাজার চরিত্র যিনি ব্যক্তিগত কামনা-বাসনা এবং উদ্ভট খেয়াল চরিতার্থ করতে গিয়ে রাজত্বের ব্যাপারে উদাসীন হয়ে পড়েন। ছোট-খাট এই সব চারিত্রিক দোষই শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় এডওয়ার্ডের পতন ডেকে আনে। এই নাটকটিতে কাব্যরস রয়েছে যথেষ্টই। ক্ষমতা হারাবার পর বন্দীদশায় এডওয়ার্ড যে বিলাপ করেছেন তা আমাদের সহানুভূতির উদ্রেক করে।

Content added || updated By
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...